Tuesday, 7 July 2020

বেগম জাহানারা


‘পর্যালোচনার আলোকে মুঘল আমলের অন্যতম চরিত্র :
বেগম জাহানারা’ -জুই সাহা;


          ভারতীয় ইতিহাসে মুঘল আমল- একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। কেবল রাজনৈতিক দিক থেকেই নয়, অর্থনৈতিক, সাংষ্কৃতিক, সামাজিক সকল দিক থেকেই এই সাম্রাজ্য ভারতীয় পরিমন্ডলে গভীরভাবে রেখাপাত করেছে। মুঘল সাম্রাজ্যের কেবল পুরুষ চরিত্ররাই নয়, নারীরাও নানাক্ষেত্রে তাদের উজ্জ্বল মহিমা ফুটিয়ে তুলেছেন। মুঘল সাম্রাজ্যের নারী চরিত্রগুলি ভারতীয় ইতিহাসে তাদের বুদ্ধিমত্তা, রাজনৈতিক কূটকৌশলতা, রূপ -সহ নানা কারণে প্রশংসা ও পর্যালোচনার ক্ষেত্রে উঠে এসেছেন বহুবার।
    এমনই একজন মুঘল নারী চরিত্র হলেন- বেগম জাহানারা; তিনি ছিলেন সম্রাট শাহজাহান ও মুমতাজ মহল –এর জেষ্ঠ্য কন্যা। অসাধারণ চরিত্রের অধিকারী এই নারী সমকালীণ পর্ব থেকে শুরু করে বর্তমান লেখক ও ঐতিহাসিক –দের কাছেও একটি চর্চিত চরিত্র। তিনি সর্বাধিক পরিচিত ছিলেন ‘বেগম সাহেব’ –নামে  এছাড়া ‘নবাব উল্যা’অর্থাৎ ‘Her Royal Highness’ -উপাধিও ছিল তাঁর ঝুলিতে। ১৬৩১ সালে মুমতাজ মহলের মৃত্যুর পর সম্রাটের প্রিয় কন্যা জাহানারা মুঘল হারেমের শীর্ষ মহিলার মর্যাদা লাভ করেন এবং পরবর্তী ২৭ বছর তিনি ঐ পদে বহাল ছিলেন। এই পর্বে সম্রাট শাহজাহান তাঁকে ‘পাদশাহ বেগম’–উপাধিতে ভূষিত করে; এটি ছিল সম-সাময়িক মুঘল নারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ সন্মান। শুধু তাই নয় মুমতাজ মহলের মৃত্যুর পর তাঁর বিষয়-সম্পত্তির অধিকাংশ পান জাহানারা; তাঁর বাৎসরিক ভাতা দাঁড়ায় ১০ লক্ষ –এ। 
    ঐতিহাসিক আব্দুল হামিদ লাহোড়ি –তাঁর ‘পাদশাহ্‌নামা’ –এ উল্লেখ করেছেন যে, সমকালীন পর্বে সম্রাট শাহজাহান সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ‘জাহ্‌গীর’ –জাহনারাকে প্রদান করেন। এমনকি রাজকীয় শিলমোহর –তাঁর কাছে থাকত।জাহানারা বানিজ্যিক ক্ষেত্রেও গুরুত্ব প্রদাণ করেছিলেন। তিনি ছিলেন কিছু সংখ্যক জাহাজের মালিক এবং ব্যবসা-বানিজ্য করতেন নিজ বিচার-বিবেচনায়।তিনি ওলন্দাজ ও ইংরেজদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ বানিজ্যিক চুক্তি করেন এবং তাদের সহযোগিতায় বানিজ্যিক কাজ-কর্ম চালিয়ে বিপুল মুনাফা অর্জন করেন।জাহানারা বেগমের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ জাহাজকে ‘সাহেবি’ –বলা হতো। বেগম কর্তৃক ইহা সুরাটে নির্মিত হয়েছিল এবং সেখান থেকে ইহা পরিচালিত হতো। এই জাহাজটি শাহজাদী মুনাফা লাভের জন্য ব্যবহার করতেন ও হজ্জ জাত্রীদের সাহায্য করতেন।১০ মানুচি প্রশংগত উল্লেখ করেছেন যে, মূল্যবান পাথর ও মণিরত্ন ছাড়াও তাঁর বার্ষিক উপার্জন ছিল ৩০ –লক্ষ১১ –টাকা।
সাম্রাজ্যের শীর্ষস্থানীয় নারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হবার পর তাঁর রাজনৈতিক গুরুত্ব, প্রতিপত্তি এবং বিষয়-সম্পত্তি উভয়ই বহুগুণ বেড়ে যায়; কিন্তু এখানে প্রশ্ন ওঠে যে তাঁর এই উচ্চ মহিমার পিছনের কারণ কী? কেন তাঁকে এমন উপাধি ও সন্মান প্রদান করা হয়? কেবলই কী তিনি মুঘল সম্রাটের প্রিয় কন্যা বলে? নাকি তাঁর চারিত্রিক গুণাবলী এবং কর্মকান্ডও এর অন্যতম কারণ?
মূলত, শাহজাহান ও মুমতাজ মহলের জেষ্ঠ্য কন্যা জাহানারা ছিলেন পিতার নয়নের মণি১২ প্রশংগত, ঐতিহাসিক লাহোড়ি নিজ গ্রন্থে একটি দুর্ঘটনার কথা উল্লেখ করে লিখেছেন যে, ১৬৪৪ সালে ২৬ –শে মার্চ রাতে জাহানারা গুরুতরভাবে পুড়ে যান। সম্রাট নিদারুণ মনস্তাপের মধ্যে তাঁর বিছানার পার্শ্বে থাকার জন্য রাষ্ট্রীয় জরুরি কার্যাবলিও উপেক্ষা করেন সর্বোত্তম চিকিৎসকদের তাঁর চিকিৎসার জন্য আনা হয়েছিল; অবশেষে আরিফ -নামের একজন কৃতদাস কর্তৃক প্রস্তুতকৃত মলম দ্বারা তাঁর ক্ষত আরোগ্য হয়।১৩
তাঁর মাতার মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স ছিল ১৪ বছর।১৪ তিনি ছিলেন উচ্চ শিক্ষিতা এবং অসাধারণ রুপ ও চরিত্রের অধিকারী।১৫ তিনি পারশিক বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষিকা সতি উন্নিসা –র কাছে শিক্ষা অর্জন করেন।১৬ সাহিত্যে জাহানারা -র রুচি ও কর্মকান্ড ছিল বহু প্রশংসণীয়। বেগম সাহেব ছিলেন সূফি মতবাদে বিশ্বাসী; ২৭ বছর বয়সে তিনি তাঁর ভ্রাতা দারা শিকো –এর প্রভাবে ‘কাদেরিয়া’ সুফি মতবদে দিক্ষিত হন।১৭ তিনি তাঁর আধ্যাত্মিক জ্ঞানের উপলদ্ধি গুলিকে ‘রিসালা-ই-শাহীবিয়া’ –নামক একটি গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করেছেন।১৮ এরই সাথে তিনি আরও একটি গ্রন্থ ‘মুনিশ-উল-আরওয়া’ –রচনা করেন; এটি ছিল মূলত আজমীর –এর সুফি দরবেশ খ্বাজা মুঈনুদ্দিন চিশতি এবং তাঁর কয়েকজন উত্তরসূরিদের জীবনী।১৯ জাহানারা গুরুতরভাবে পুরে গিয়ে পরবর্তী সময়ে আরোগ্য লাভের পর আজমীরে খ্বাজা মুঈনুদ্দিন চিশতি –র দরগাতে যান তীর্থযাত্রায়।২০  
বেগম সাহেবের বিপুল ধনসম্পদ তাঁকে পন্ডিতগণের পৃষ্ঠপোষকতা, বদান্যতা, উপহার প্রদাণ, অট্টালিকা নির্মাণ, উদ্যান প্রকল্পসহ আরও অন্যান্য প্রকল্পে সাহায্য করেছিল। ১৬৪৮ সালে জাহানারা আগ্রা –তে ৫ লক্ষ টাকা খরচ করে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন।২১ তিনি আগ্রার জামি মসজিদ –এ একটি মাদ্রাসা নির্মাণ করেছিলেন২২ তাঁর নির্মাণকার্য ধনী ও দরিদ্র উভয়ের চাহিদা মেটাতোএছাড়া তিনি দিল্লিতে বাগান ও জলাশয়সহ একটি সরাইখানা স্থাপন করেছিলেন; মানুচি –এর বর্ণনা অনুযায়ী এটি ছিল নগর দূর্গের মধ্যস্থলে অবস্থিতবার্নিয়ের নিজ বর্ণনায় উল্লেখ করেন যে, বেগম সাহেব দিল্লী নগরীকে শোভিত করার জন্য দূরের যাত্রীদের ব্যবহারী সরাইখানা নির্মাণ করেন; যা ‘বেগম সরাই’ –নামে পরিচিত তিনি এটিকে প্যারিসের রাজপ্রাসাদের সাথে তূলনা করেছেন। এছারাও তিনি কাশ্মীর –এর শ্রীনগর -এ ২০ হাজার টাকা ব্যয় করে দরিদ্রদের জন্য বাসস্থান নির্মাণ করেন।২৩ দিল্লির বাইরে চাঁদনী চকের উত্তর পার্শ্বে ‘বেগম-কা-বাগ’ –নামে একটি উদ্যানের পরিকল্পনাও করেন।
‘শাহজাহান নামা’ –তে বলা হয়েছে যে, জাহানারা নিজস্ব অর্থে চল্লিশ হাজার রুপি ব্যয়ে করে কাশ্মীরে মোল্লা শাহ –এর জন্য একটি মসজিদ নির্মাণ করেন। এই মসজিদে গরিব লোকেদের বসবাষের জন্য বড় একটি অট্টালিকা দ্বারা পরিবেষ্টিত এবং ইহা নির্মাণ করতে ২০ হাজার রুপি ব্যয় হয়। সমকালীণ বিদেশী পর্যটকদের মধ্যে মানুচি এবং বার্নিয়ের -তাঁদের বর্ণনায় জাহানারা –র প্রজাহিতৈষী মনভাবের কথা ব্যক্ত করেছেন;২৪ এবং তিনি জনগণের কাছে ছিলেন খুবই প্রিয়।
সাম্রাজ্যে শীর্ষ স্থানীয় নারীর ভূমিকায় থাকা এবং নিজ আগ্রহবশত সমকালীণ বহু রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে তিনি জড়িত ছিলেন। তাঁর নিকট শাহজাহান -এর পুত্রদের মধ্যে দারা শিকো –ছিলেন মুঘল সম্রাট হিসেবে উপযুক্ত উত্তরাধিকারী।২৫ তাঁর বিশেষ পথে তিনি শান্তি স্থাপনকারী হিসেবে তার পিতার ও ভ্রাতাদের মধ্যে মতপার্থক্য দূর করার চেষ্টা করতেন। প্রশংগত, ঐতিহাসিক যদুনাথ সরকার –তাঁর গ্রন্থে লেখেন যে, “তাঁর ভালোবাসা ও দয়া রাজ-পরিবারের সকল প্রকার বিবাদ দূর করেছিল।”২৬ ১৬৪৪ সালে আওরঙ্গজেব শাহজাহান -এর সাথে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়লে তাঁর ‘জাহগীর’ –বাজেয়াপ্ত হয়; এইপর্বে জাহানারা -ই শাহজাহান –কে শান্ত করতে সফল হন এবং আওরঙ্গজেব পূর্ববর্তী পদ ও জাহগীর ফেরত পান।২৭
১৬৫৭ সালের ডিসেম্বর মাস হতে সম্রাটের অসুস্থতাকে কেন্দ্র করে যে উত্তরাধিকার যুদ্ধের সূত্রপাত হয়; তাতে জাহানারা এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অবতীর্ণ হন। এক্ষেত্রে তিনি ছিলেন দারা শিকো –র পক্ষে। এইপর্বে সম্রাটের দ্বিতীয় কন্যা রওশনারা –একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেন। তিনি আওরঙ্গজেব –এর কাছে হারেম ও রাজ-দরবারের গোপন তথ্য প্রেরণ করতেন।২৮ শাহজাহানের অসুস্থতার প্রাথমিক পর্বে জাহানারা তাঁর সব ভ্রাতাদের নিকট ঘটনা সম্পর্কে পৃথক পত্র প্রেরণ করেন এবং তাতে লেখেন যে, শাহজাহান -এর স্বাস্থ্যের অবস্থা ভালো এবং তিনি এখনও রাষ্ট্রের কার্যে পূর্ণাঙ্গ ক্ষমতায় আছেন;২৯ কিন্তু, বাস্তব পরিস্থিতি ছিল তার সম্পূর্ণ বিপরীত।
পরবর্তীকালে বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাতের ফলে সৃষ্টি হওয়া জটিল পরিস্থিতে পিতা ও পুত্র এবং ভাতৃদ্বয়ের মধ্যে প্রীতীর সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য জাহানারা ব্যক্তিগতভাবে আওরঙ্গজেব -এর সাথে সাক্ষাৎ করেন ১৬৫৮ সালের ১০ –ই জুন।৩০ পরবর্তীকালে দারা শিকো –র পরাজয়ের পর জাহানারা পুনরায় আওরঙ্গজেব -এর সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং আওরঙ্গজেবকৃত বন্দি শাহজাহান -এর সাথে তাঁকে সাক্ষাৎ করতে সনির্বদ্ধ অনুরোধ জানান; কিন্তু তিনি তাঁর সব প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। তবে, পরবর্তীকালে আওরঙ্গজেব জাহানারা –কে অনুমতি দেন পিতার সাথে আগ্রা দুর্গে অবস্থান করার। জাহানারা ৭ –বছরের বেশি সময় ধরে শাহজাহান -এর পরিচর্যা করেন ও তাঁকে সান্তনা দেন।৩১
অবশেষে, ১৬৬৬ সালে ২২ –শে জানুয়ারি শাহজাহান তাঁর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন; এর পরবর্তীতে এক দীর্ঘ শোকাবহ কবিতায় কবি প্রতিভাসম্পন্ন জাহানারা তাঁর মনের যন্ত্রণা ঢেলে দেন।৩২ তিনি শাহজাহানের মৃত্যুতে গরিব লোকেদের মধ্যে বিতরণ করেন ২০০০ স্বর্ণমুদ্রা।৩৩ এই ঘটনার প্রায় এক বছর পর আওরঙ্গজেব আগ্রায় এসে জাহানারা –র সাথে সাক্ষাৎ করেন। জাহানারা –র সনির্বদ্ধ অনুরোধে তাঁর ন্যায়সংগত ক্ষোভ দূরীভূত হয়; এবং পূর্বেকার অনেক প্রত্যাক্ষানের পরে তাঁর জীবনের শেষ দিন গুলিতে পিতার প্রতি৩৪ আওরঙ্গজেব -এর সব অপরাধ তিনি ক্ষমা করেন লিখিতভাবে।
মুঘল আমলের এই অনবদ্য নারী চরিত্রটি ১৬৮১ সালে ৭ –ই সেপ্টেম্বর ষাটের মধ্যবর্তী বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি শায়িত আছেন দিল্লির হজরত নিজামুদ্দিন আউলিয়া –র দরগার নিকট স্থানে।
স্বাভাবিকভাবেই জাহানারা -র জীবন ছিল কৌতুহলপূর্ণ। পিতার প্রতি তাঁর ভক্তি ছিল প্রশংসাযোগ্য। তিনি শ্রদ্ধার এতটাই যোগ্য ছিলেন যে উত্তরাধিকার যুদ্ধে দারা শিকোর প্রতি সমর্থন থাকা সত্ত্বেও তাঁর জন্য আওরঙ্গজেব –এর শ্রদ্ধার কোনো কমতি হয়নি এবং তিনি সর্বদাই তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে সন্মান দিতেন। বিশ্বাসী ও সৎকর্মশীল সাহসী এই মহিলা সাহসের সঙ্গে অনেক প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবিলা করেন; এমনকি আওরঙ্গজেব –এর ভুল কাজকে ভুল বলার সাহসও তাঁর ছিল। আওরঙ্গজেব ‘জিজিয়া কর’ পুনঃ আরোপ করলে জাহানারা তাঁকে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার পরামর্শ দেন।৩৫
জাহানারা –র ব্যক্তিগত জীবনের বহু বিষয় নিয়ে ঐতিহাসিক মহলে দ্বিমত থাকলেও সমকালীণপর্বে তিনি তাঁর ব্যক্তিত্ব ও কর্ম-কুশলতার জোরে সাম্রাজ্যে যে গুরুত্বপূর্ণ মর্যাদা ও সন্মান লাভ করেছেন; তা এক কথায় অনবদ্য।



তথ্যসূত্র
১। Jadunath Sarkar, HISTORY OF AURANGZIB, vol-iii, p- 58;
২। Dr. Soma Mukherjee, ROYAL MUGHAL LADIES, And their Contribution, p- 27;
৩। রেজাউল করিম, ‘মোঘল সাম্রাজ্যের নারী’, পৃ- ২৩৫;
৪। Ira Mukhoty, DAUGHTERS  OF THE SUN, p- 171;
৫। Dr. Soma Mukherjee, ROYAL MUGHAL LADIES, And their Contribution, p- 34;
৬। তদেব;
৭। Jadunath Sarkar, STUDIES IN MUGHAL INDIA, p- 23;
৮। রেজাউল করিম, ‘মোঘল সাম্রাজ্যের নারী’, পৃ- ২৮১;
৯। তদেব;
১০। Shireen Moosvi, MUGHAL SHIPPING AT SURAT IN THE FIRST HALF OF THE SEVENTEENTH CENTURY, p- 313;
১১। Niccolao Manucci, STORIA DO MOGOR (tr. William Irvine), vol-i, p- 216;
১২। Dr. Soma Mukherjee, ROYAL MUGHAL LADIES, And their Contribution, p- 149;
১৩তদেব;
১৪তদেব;
১৫। তদেব;
১৬। তদেব, পৃ- ৭০;
১৭। তদেব, পৃ- ৪৩;
১৮। Rekha Mishra, WOMEN IN MUGHAL INDIA (1526-1748), p- 93;
১৯। R.C. Majumdar ed., THE MUGHAL EMPIRE, p- 14;
২০। Dr. Soma Mukherjee, ROYAL MUGHAL LADIES, And their Contribution, p- 42;
২১। রেজাউল করিম, ‘মোঘল সাম্রাজ্যের নারী’, পৃ- ২৮২;
২২। তদেব;
২৩। তদেব;
২৪। তদেব, পৃ- ২৩৫;
২৫। Dr. Soma Mukherjee, ROYAL MUGHAL LADIES, And their Contribution, p- 149;
২৬। Jadunath Sarkar, HISTORY OF AURANGZIB, vol- I, p- 39;
২৭। তদেব, পৃ- ৭৬;
২৮। N.L. Mathur, RED FORT AND MUGHAL LIFE, p- 2;
২৯। B.P. Saxena, HISTORY OF SHAHJAHAN OF DELHI, p- 329;
৩০। রেজাউল করিম, ‘মোঘল সাম্রাজ্যের নারী’, পৃ- ২৮৪;
৩১। তদেব;
৩২। তদেব;
৩৩। তদেব;
৩৪। Jadunath Sarkar, SHORT HISTORY OF AURANGZIB, p- 110-120;
৩৫। রেজাউল করিম, ‘মোঘল সাম্রাজ্যের নারী’, পৃ- ২৪২;


গ্রন্থপঞ্জি
·        Niccolao Manucci, STORIA DO MOGOR (tr. William Irvine), John Murry, Albemarle Street, London, 1907;
·        Bernier, TRAVELS IN THE MOGHUL EMPIRE (tr. Constable and Smith), New Delhi, 1983;
·        Lahori, BADSHAHNAMA, (tr. Elliot and Dowson), vol- vii;
·        Inayat Khan, SHAH JAHAN NAMA, (tr.)
·        Jadunath Sarkar, HISTORY OF AURANGZIB, vol-iii, M.C. Sarkar & Sons, Calcutta, 1928;
·        Jadunath Sarkar, STUDIES IN MUGHAL INDIA, M.C. Sarkar & Sons, Calcutta, 1919;
·        Jadunath Sarkar, SHORT HISTORY OF AURANGZIB;
·        R.C. Majumdar ed., THE MUGHAL EMPIRE,  Bharatiya Vidya Bhavan, Bombay, 1974;
·        Dr. Soma Mukherjee, ROYAL MUGHAL LADIES, And their Contribution, Gyan Publishing House, New Delhi, 2001;
·        Rekha Mishra, WOMEN IN MUGHAL INDIA (1526-1748), Munshiram Manoharlal, New Delhi, 1967;
·        N.L. Mathur, RED FORT AND MUGHAL LIFE, New Delhi, 1964;
·        B.P. Saxena, HISTORY OF SHAHJAHAN OF DELHI;
·        Ira Mukhoty, DAUGHTERS  OF THE SUN, Aleph Book Company, New Delhi, 2018;
·        রেজাউল করিম, ‘মোঘল সাম্রাজ্যের নারী’, অন্বেষা প্রকাশন, ঢাকা, ২০১৫;